ED-Engineer's Diary
ED-Engineer's Diary
February 3, 2025 at 08:19 PM
#ju জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য ১৮৮৯টি আসন বরাদ্দ। এর মধ্যে, কাউকে পোষ্য কোটায় ভর্তি করা হতো না। নির্ধারিত আসনের বাহিরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশাসনিক সুবিধা হিসেবে তাদের সন্তান, দত্তক নেওয়া সন্তান, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রীদের নূন্যতম পাশ মার্ক ২৬ পেলেই ভর্তি করানো হতো (যতজন সুযোগ পায়)। যেটা তারা প্রশাসনিক সুবিধা হিসেবে তাদের প্রদান করা হতো। পোষ্যদের জন্য কোনো আসন নির্ধারিত ছিলো না। এমনকি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যতবার খুশি ততবার এই সুবিধা নিতে পারতো। পোষ্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যারাই পাশ মার্ক ২৬ তুলতে পারতো, তাদের সবাইকেই ভর্তি করানো হতো। তবে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাশ মার্ক ২৮ করে। এছাড়া প্রতি ডিপার্টমেন্টে সর্বোচ্চ ৪ জন ভর্তি হতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। সে হিসেবে সর্বোচ্চ ১৫২ জন ভর্তি করানো সুযোগ ছিল। তবুও গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাস্তবতায় আমরা মনে করেছি, বিদ্যমান সুবিধা থাকাও অযৌক্তিক। তার প্রেক্ষিতে আমাদের আন্দোলন শুরু হয়। আমাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা হলো- ১. এক শিক্ষাবর্ষে সকল বিভাগ মিলে সর্বোচ্চ ৪০ জনকে ভর্তি করা হবে। ২. পাশ মার্ক ৪০% অর্থাৎ ৩২ নম্বর করা হয়েছে। যেটা দেশের কৃষক ও শ্রমিকের সন্তানসহ সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য। ৩. আগের স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বােন, সন্তান-দত্তক নেওয়া সন্তানের পরিবর্তে এখন কেমলমাত্র সন্তানরাই এ সুবিধা পাবে। ৪. শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের চাকরি জীবনে একবারই এই সুবিধা প্রয়োগ করতে পারবেন।উনার ৩ থেকে ৪ জন সন্তান থাকলেও একজনের জন্য শুধুমাত্র এই সুবিধা নিতে পারবেন। ৫. কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী যে বিভাগে কর্মরত, সেই বিভাগে তার সন্তানকে ভর্তি করতে পারবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাকসু'র তফসিল ঘোষণার তারিখ ও নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার কথা। এছাড়া আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এমন পরিস্থিতিতে জাকসু নিয়ে যে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটা আরো বেগবান করার আশঙ্কা ছিলো। এমনকি ভর্তি পরীক্ষার জন্য অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় সময়সূচি নির্ধারণ করে। সেই জায়গা থেকে ভর্তি পরীক্ষা বাঁধাগ্রস্ত হলে, সেটা হতো ভর্তিচ্ছুদের জন্য হটকারী সিদ্ধান্ত। সেই সুযোগ আমরা দিতে চায়নি। কেননা এগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে আমাদের কনসার্ন জানানো হয়, আমরা সেগুলো বিবেচনা করেছি। আরিফুজ্জামান উজ্জল আহ্বায়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Comments